Sunday, 23 March 2025

LAWS OF LIMITING FACTORS [সীমিতকারী উপাদানের সূত্র (বাংলা মাধ্যমের জন্য) [B.Sc. Zoology General ]

LAWS OF LIMITING FACTORS 

সীমিতকারী উপাদানের সূত্র 

জৈব বা অজৈব যে কারণ গুলির ন্যূনতম বিচ্যুতি একটি প্রজাতির জনসংখ্যার বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে সীমিতকারী উপাদান বলা হয়। এগুলি একটি প্রজাতির বৃদ্ধি , আকার , সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।  

উদাহরণ ঃ Bald Eagle জলের কাছে বড় গাছে বাসা করে, এদের খাদ্যের যেখানে অভাব হয় না।

Liebig's Law of Minimum (লিবিগ-এর ন্যূনতম বিধি)

এই বিধি মূলতঃ গাছ বা ফসলের বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। এখানে বলা হয়েছেঃ

সম্পূর্ণ পুষ্টি মৌল রসদের প্রাচুর্যের বদলে, ন্যূনতম যে মৌলের উপস্থিতির কারনে, উদ্ভিদের বৃদ্ধির সহায়ক হয়, সেটিই নিয়ন্ত্রক, অর্থাৎ Limiting factor.

যথা- সূর্যালোক, নাইট্রেট বা ফসফেট, যে উদ্ভিদে যতটা প্রয়োজন ততটা পেলে তার সুষম বৃদ্ধি ঘটবে।মানুষের ক্ষেত্রে অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড সমূহ ।

Blackman's Law of Limiting Factor ( ব্ল্যাকম্যানের ন্যূনতম  নীতি

যখন একটি পদ্ধতির গতি বিভিন্ন পৃথক কারণের প্রতি শর্তাধীন হয়, সেই পদ্ধতির গতি সব থেকে ধীর কারণটির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় ।

যেমন -আলো , উষ্ণতা , বাতাসের গতি , কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি, সালোকসংশ্লেষের হারকে নিয়ন্ত্রিত করে। এদের মধ্যে কোনও একটি কম হলেই সালোকসংশ্লেষের হারে তারতম্য ঘটে ।


                    চিত্রঃ সালোক সংশ্লেষে ব্ল্যাকম্যানের ন্যূনতম নীতি

লেখচিত্রতে  Y axis এ সালোক সংশ্লেষের হার এবং X axis এ কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব দেখানো হয়েছে। কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব বাড়ানো হলে সালোক সংশ্লেষের হার সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে,কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সীমায় পৌঁছানোর পর কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব  যতই বৃদ্ধি করা হোক না কেন, সালোক সংশ্লেষের হার বৃদ্ধি করা যায় না। বৃদ্ধির হার সীমিত থাকে।

আবার আলো এক্ষেত্রে সীমিতকারী উপাদান হিসাবে কাজ করে । যেখানে, আলোর প্রাবল্য মৃদু থেকে মাঝারি এবং পরিশেষে উচ্চ করা হলে সালোক সংশ্লেষের হার বৃদ্ধি পায় না। আলোর প্রাবল্য এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব প্রতি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ।


Shelford's Law of Tolerance ( শেফোর্ডের সহিষ্ণুতা নীতি )

কোনো উপাদানের শুধুমাত্র সীমিত মাত্রায় অথবা একেবারেই অভাব হলে, কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৃদ্ধি, আকার,বা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া প্রভাবিত হয় তাই নয় অতিরিক্ত / প্রাচুর্য হলেও প্রভাবিত হয়। 

কোনও একটি উপাদানের অতিরিক্ত উপস্থিতি অন্যান্য উপাদানগুলির প্রভাব যেমন, পুষ্টি মৌলের  শোষণকে সীমিত বা বন্ধ করে দিতে পারে। সুতরাং, কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৃদ্ধি এবং বৃদ্ধির হার উপাদান গুলির সব থেকে কম এবং সব থেকে বেশী  সীমা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । প্রতিটি প্রাণীর একটি ZONE OF TOLERANCE (সহ্যসীমা) থাকে। যা সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা দ্বারা প্রতিটি  উদ্ভিদ এবং প্রাণীর ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি OPTIMUM ZONE। এই অঞ্চল সর্বাপেক্ষা ভালোভাবে একটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৃদ্ধি ও সংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধির সহায়ক হয়। 


প্রাকৃতিক শর্ত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই অঞ্চলগুলি নিম্নরূপঃ  

1.Zone of Intolerance

2.Zone of Tolerance (Optimal Zone & Critical Zone)


                  চিত্রঃ শেফোর্ডের সহিষ্ণুতা নীতির লেখচিত্র 

Zone of Intolerance: অসহিষ্ণু অঞ্চল। উদ্ভিদ ও প্রাণীর সহ্য ক্ষমতার সীমার বাইরে । এই সীমায় তারা জীবিত থাকতে পারে না। এই সীমা বিভিন্ন উদ্ভিদ ও  প্রাণীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ।

Zone of Tolerance: বৃদ্ধি সহায়ক সীমা । 

a. Optimal Zone:সর্বোত্তম অঞ্চল। সর্বাপেক্ষা সহায়ক সীমা যা সব থেকে বেশী এবং সব থেকে কম এই দুই শর্ত দ্বারা সীমিত। প্রতিটি প্রাণীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট। জীবিত প্রজাতির এই সীমাতেই সর্বাপেক্ষা বৃদ্ধি হয় ও ঘনত্ব বাড়ে।

b. Critical Minimum Zone: সঙ্কট পূর্ণ অঞ্চলের সর্বনিম্ন সীমা । যার পর একটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৃদ্ধি ও জীবিত থাকার চেষ্টা ব্যাহত হয় ।

c. Critical Maximum Zone:সঙ্কট পূর্ণ অঞ্চলের সর্বোচ্চ  সীমা । যার পর একটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৃদ্ধি ও জীবিত থাকার চেষ্টা ব্যাহত হয় ।

বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর ক্ষেত্রে, বিভিন্ন জৈব বা অজৈব শর্ত ও উপাদানের ভিত্তিতে এর মান ভিন্ন এবং নির্দিষ্ট হয়ে থাকে।

Level of Organization & Biosphere (বাংলা মাধ্যমের জন্য) [B.Sc. Zoology General ]

 


পরমাণু> অণু> যৌগ > সরল কোষ >জটিল কোষ > কলা> অঙ্গ > তন্ত্র> শরীর > পপুলেশন > কমিউনিটি >  জৈব+অজৈব উপাদান - >বাস্তু তন্ত্র >বায়োম > বায়োস্ফিয়ার 

বাস্তুতন্ত্র : যে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনো বসতিস্থানের জীবগোষ্ঠী গুলি একে অপরের সাথে এবং ওই অঞ্চলের অজৈব পরিবেশের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে একটি সুস্থিত তন্ত্র গঠন করে, সেই ক্রিয়া পদ্ধতিটি বাস্তু তন্ত্র l

বায়োম: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রাকৃতিক ভাবে উপস্থিত থাকা উদ্ভিদ, প্রাণী, ও অজৈব পদার্থের সমাবেশের সমষ্টিগত স্থান | যথা: মরুভূমি, সাভানা l

পৃথিবীতে বায়োম নিম্নোক্ত প্রকার:

১. Tropical Rainforest/ ক্রান্তীয় বর্ষবন 

২.Temperate Deciduous Forest/ উপোষ্ণ পাতাঝরা বন

৩. Taiga/ সাইবেরীয় বনভূমি 

৪. Desert/ মরুভূমি 

৫.Tundra / তুন্দ্রা

৬.Savanna/ সাভানা

৭.Temperate Grassland/ উপোষ্ণ   তৃণভূমি 

৮.Freshwater Biome/ মিঠাজল জীবাঞ্চল 

৯. Ocean Biome/ সামুদ্রিক জীবাঞ্চল 

বায়োস্ফিয়ার:  যে ভৌত বা জৈবিক অবস্থা জীবকে সাড়া দিতে প্রভাবান্বিত করে তার সামগ্রিক অবস্থাকে পরিবেশ বলা হয় l জীবকুলকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য Atmosphere, Lithosphere এবং hydrosphere এর সম্মিলিত সংযোগ হলো biosphere.

Biosphere- জৈব উপাদান+ অজৈব উপাদান ( Ecosphere) 

Atmosphere: পৃথিবীকে আবৃত করে রাখা  গ্যাসীয় আবরণ যা  অন্যান্য স্ফিয়ারের সাথে  মিথষ্ক্রিয়া দ্বারা পৃথিবীতে জীবন ধারণ অব্যাহত রাখে l

Troposphere:  সর্বনিম্ন অঞ্চল l তাপমাত্রার পরিবর্তন দেখা যায় , মেঘ সৃষ্টি হয় l মেরু থেকে উপরে পাঁচ মাইল উচ্চতা থেকে বিষুবরেখা থেকে ১২ মাইল উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত l

Stratosphere: পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০ মাইল এর পর থেকে এই স্তরে ওজোন সঞ্চিত থাকে l  সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি, ইনফ্রা রেড রশ্মি শোষণ করে বলে এই স্তরের উপরের তাপমাত্রা গরম হয় l

Mesosphere: পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৫৫ মাইল উচ্চতার স্ফিয়ারকে মেসোস্ফিয়ার বলে l 

                      এটি শীতল অঞ্চল l

এর উপরে Thermosphere ও  Exosphere আছে l


Hydrosphere:পৃথিবী পৃষ্ঠে জলভাগকে একত্রে হাইড্রোস্ফিয়ার  বলা হয় ।


লটিক বাস্তুতন্ত্র

লেনটিক  বাস্তুতন্ত্র

প্রবাহিত জল ।

 স্থির জল ।

গরমে/ শুষ্কতায় অগভীর অংশ শুকিয়ে  যায় । অনেক প্রাণীর মৃত্যু ঘটে ।

গরমে/ শুষ্কতায় এই অংশে জল থাকে।

 অগভীর ।

গভীর ।

লবণের পরিমাণ কম ।

লবণের পরিমাণ বেশী ।


Flowing river: A lotic Ecosystem


Pond is showing a Lentic ecosystem

Thermal Stratification : (বাংলা মাধ্যমের জন্য) [B.Sc. Zoology General ]

 তাপীয় স্তরবিন্যাস [Thermal Stratification]

তাপীয় স্তরবিন্যাস,এটি একটি মরশুমি ঘটনা । গরমকালে বড় হ্রদের জলের উপরিভাগ সূর্যের আলোয় গরম হয়ে যায় । একদম নীচের জল ঠাণ্ডা ও মাঝের স্তরের জল মাঝারি উষ্ণতার হয়ে যায় । এই ভাবে ত্রিস্তরীয় পৃথক উষ্ণতার জল স্তর তৈরি হয় । শীতে উষ্ণতা কম  থাকায় জলতল যা বায়ুর সংস্পর্শে আছে তার উষ্ণতা কমতে থাকে, কিন্তু একদম গভীরে জলের উষ্ণতা ৪ ডিগ্রী তে স্থির হয়ে যায় ।

Epilimnion(এপিলিমনীয়ন): জলের  উপরিতল যা বায়ুর সংস্পর্শে থাকে, সূর্যালোকের উষ্ণতা পায়। এই অংশে অক্সিজেন যথেষ্ট থাকে ।

Metalimnion(মেটালিমনীয়ন): এটি মধ্য স্তর,যেখানে উষ্ণতা এবং। অক্সিজেনের ঘনত্বের পরিবর্তন হয়। একে Thermocline(থার্মোক্লাইন ) ও বলা হয়। এটি একটি পাতলা কিন্তু নির্দিষ্ট স্তর। যার উপরে উষ্ণতর এবং নিচে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা স্তর বর্তমান ।জলের এই স্তরে তাপমাত্রার পরিবর্তন  সহজেই বোঝা যায় , যা উপরের মিশ্রিত উষ্ণ স্তরকে,নীচের শান্ত গভীর স্তর থেকে আলাদা করে।

Hypolimnion (হাইপোলিমনীয়ন): সর্বাপেক্ষা নীচের স্তর। ঠান্ডা, অক্সিজেন বেশি বা কম হতে পারে ।


তাপীয় স্তরবিন্যাস



 

থার্মোক্লাইন, ছবি : উইকিপিডিয়া